ঢাকা ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আখ চাষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তরুন কৃষক পারভেজ

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১০:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ ১৮১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হাসান আল মাহমুদ রাজু – কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষা ইউনিয়নের চক কবিরাজি গ্রামের উসমান গরের রেল গেইটের উত্তর পাশে আধুনিক যন্তপ্রাতিক আখ ফেরার মিশিন দিয়ে আখ ফেরিয়ে গুর, লালি,খর,রস তৈরি করছেন স্থানীয় কৃষক পারভেজ আলী ও তার পরিবার।

মনু নদীর বাদে উঠতেই চোখে পড়ে সবুজের সমারোহ। আছে হলুদের ছড়াছড়ি। এ যেন এক সবুজ আর হলুদ বিপ্লব। শত শত একর জমিতে আখের বাগান দেখা যায়। ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন এখানকার কৃষকরা। কেউ সবজি আবার কেও কেও আখ কাটছেন।আখ কেটে আখ ফসল টি তাদের আখ ফেরার মিশিনে নিয়ে প্রতিদিন রাত আখ ফেরে রস, গুর,লালি বিক্রি করে যাচ্ছেন।
যানা যায় স্থানীয় কৃষক পারভেজ আলী ২ লক্ষ টাকা নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করেছেন,এবং তিনি নিজেও এক জন কৃষক তাই প্রতি দিন তিনি এই আখ কৃষি খামার থেকে লালি ১৮০,গুর ২০০,রস ৫০ টাকা করে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার টাকা বিক্রি করেন।

সরজমিনে ১৮ জানুয়ারী রবিবার বিকেলে কমল গঞ্জ উপজেলার পতনউষা ইউনিয়ন এর উসমানগর রেল গেইটের পাশে দেখা যায় এক তরুন কৃষক রাস্তার পাশে আধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে আখ ফেরিয়ে গুর, লালি,রস তৈরি করছেন।

সরজমিনে মনু নদীর তিরে গিয়ে দেখা যায় কুলাউড়া উপজেলার শরিফ পুর ইউনিয়নের মনু নদীর চরে বিশাল আখ বাগানের এমন চিত্র চোখে পড়ে।

স্থানীয় কৃষক পারভেজ আহমদ বলেন, আখ থেকে বার গুরা ইঞ্জিন দিয়ে গুর ও লালি তৈরী করছেন।আখ থেকে গুর ও লালি ও আখের রস বিক্রি করে তারা সাবলম্বি অচ্ছেন।আমি প্রায় ২ লক্ষ টাকা নিয়ে এই কৃষি কাজে শুরু করেছি আশা করছি আমি এই আখ ব্যবসা থেকে আমি ৫ লক্ষ টাকার মত পাব এবং আমি লাভবান হতে পারবো। আমি প্রতি দিন এই আখ খামার থেকে রস,লালি,গুর বিক্রি করে প্রায় ১০ হাজার টাকা বিক্রি করে থাকি।সরকার থেকে আমরা কোন সাহায্য সহযোগিতা পাচ্ছি না।পাইলে আমরা এই কৃষি ক্ষেতে আরও আগ্রহী ও বেশ লাভবান হতে পারতাম। আমি চাই আমার স্বপ্ন পুরনে এগিয়ে যেতে এটি আমাদের একটি ঐতিহ্যবাহী কৃষি ক্ষেত।আমার সাথে আমার বাবা, মা এই আখ কামারে আমাকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।প্রতিদিন রয়েছে আমার আখ খামারে ক্রেতাদের ভির।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আখ চাষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তরুন কৃষক পারভেজ

আপডেট সময় : ১০:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

হাসান আল মাহমুদ রাজু – কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষা ইউনিয়নের চক কবিরাজি গ্রামের উসমান গরের রেল গেইটের উত্তর পাশে আধুনিক যন্তপ্রাতিক আখ ফেরার মিশিন দিয়ে আখ ফেরিয়ে গুর, লালি,খর,রস তৈরি করছেন স্থানীয় কৃষক পারভেজ আলী ও তার পরিবার।

মনু নদীর বাদে উঠতেই চোখে পড়ে সবুজের সমারোহ। আছে হলুদের ছড়াছড়ি। এ যেন এক সবুজ আর হলুদ বিপ্লব। শত শত একর জমিতে আখের বাগান দেখা যায়। ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন এখানকার কৃষকরা। কেউ সবজি আবার কেও কেও আখ কাটছেন।আখ কেটে আখ ফসল টি তাদের আখ ফেরার মিশিনে নিয়ে প্রতিদিন রাত আখ ফেরে রস, গুর,লালি বিক্রি করে যাচ্ছেন।
যানা যায় স্থানীয় কৃষক পারভেজ আলী ২ লক্ষ টাকা নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করেছেন,এবং তিনি নিজেও এক জন কৃষক তাই প্রতি দিন তিনি এই আখ কৃষি খামার থেকে লালি ১৮০,গুর ২০০,রস ৫০ টাকা করে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার টাকা বিক্রি করেন।

সরজমিনে ১৮ জানুয়ারী রবিবার বিকেলে কমল গঞ্জ উপজেলার পতনউষা ইউনিয়ন এর উসমানগর রেল গেইটের পাশে দেখা যায় এক তরুন কৃষক রাস্তার পাশে আধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে আখ ফেরিয়ে গুর, লালি,রস তৈরি করছেন।

সরজমিনে মনু নদীর তিরে গিয়ে দেখা যায় কুলাউড়া উপজেলার শরিফ পুর ইউনিয়নের মনু নদীর চরে বিশাল আখ বাগানের এমন চিত্র চোখে পড়ে।

স্থানীয় কৃষক পারভেজ আহমদ বলেন, আখ থেকে বার গুরা ইঞ্জিন দিয়ে গুর ও লালি তৈরী করছেন।আখ থেকে গুর ও লালি ও আখের রস বিক্রি করে তারা সাবলম্বি অচ্ছেন।আমি প্রায় ২ লক্ষ টাকা নিয়ে এই কৃষি কাজে শুরু করেছি আশা করছি আমি এই আখ ব্যবসা থেকে আমি ৫ লক্ষ টাকার মত পাব এবং আমি লাভবান হতে পারবো। আমি প্রতি দিন এই আখ খামার থেকে রস,লালি,গুর বিক্রি করে প্রায় ১০ হাজার টাকা বিক্রি করে থাকি।সরকার থেকে আমরা কোন সাহায্য সহযোগিতা পাচ্ছি না।পাইলে আমরা এই কৃষি ক্ষেতে আরও আগ্রহী ও বেশ লাভবান হতে পারতাম। আমি চাই আমার স্বপ্ন পুরনে এগিয়ে যেতে এটি আমাদের একটি ঐতিহ্যবাহী কৃষি ক্ষেত।আমার সাথে আমার বাবা, মা এই আখ কামারে আমাকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।প্রতিদিন রয়েছে আমার আখ খামারে ক্রেতাদের ভির।