ঢাকা ০৫:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহ আরফিন-অদ্বৈত সেতুর কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে অবস্থান

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মোঃ মাইনুদ্দীন
সুনামগঞ্জ, তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীতে নির্মাণাধীন ‘শাহ আরেফিন-অদ্বৈত মৈত্রী সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি হয়েছে। বুধবার বিকাল ৪টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কর্মসূচিতে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন তাহিরপুর উপজেলার বালিজুরী ইউনিয়নের পুরান বারুংকা গ্রামের বাসিন্দা মো. সুহেল আলম।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ‘পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় ২০১৮ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রায় ৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ৭৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩২ ফুট প্রস্থের এই সেতুর কাজের মেয়াদ ছিল ৩০ মাস। সে অনুযায়ী ২০২১ সালের জুনে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনো উল্লেখযোগ্য অংশ অসমাপ্ত রয়েছে। ৭৫টি গার্ডারের মধ্যে ১৮টি এবং ১৫টি স্ল্যাবের মধ্যে ৫টির কাজ বাকি রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলা ও ধীরগতির কারণে দীর্ঘ প্রায় আট বছরেও সেতুর কাজ শেষ হয়নি এবং বর্তমানে কাজ বন্ধ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সেতুটি চালু হলে সুনামগঞ্জ জেলা সদর থেকে বিশ্বম্ভরপুর হয়ে তাহিরপুর সীমান্ত এলাকায় যাতায়াত সহজ হবে। পাশাপাশি মধ্যনগর, ধর্মপাশা ও নেত্রকোনা হয়ে ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থায় উন্নতি ঘটবে। পর্যটন ও বাণিজ্য খাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শাহ আরফিন-অদ্বৈত সেতুর কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে অবস্থান

আপডেট সময় : ১২:৩৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

 

মোঃ মাইনুদ্দীন
সুনামগঞ্জ, তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীতে নির্মাণাধীন ‘শাহ আরেফিন-অদ্বৈত মৈত্রী সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি হয়েছে। বুধবার বিকাল ৪টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কর্মসূচিতে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন তাহিরপুর উপজেলার বালিজুরী ইউনিয়নের পুরান বারুংকা গ্রামের বাসিন্দা মো. সুহেল আলম।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ‘পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় ২০১৮ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রায় ৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ৭৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩২ ফুট প্রস্থের এই সেতুর কাজের মেয়াদ ছিল ৩০ মাস। সে অনুযায়ী ২০২১ সালের জুনে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনো উল্লেখযোগ্য অংশ অসমাপ্ত রয়েছে। ৭৫টি গার্ডারের মধ্যে ১৮টি এবং ১৫টি স্ল্যাবের মধ্যে ৫টির কাজ বাকি রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলা ও ধীরগতির কারণে দীর্ঘ প্রায় আট বছরেও সেতুর কাজ শেষ হয়নি এবং বর্তমানে কাজ বন্ধ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সেতুটি চালু হলে সুনামগঞ্জ জেলা সদর থেকে বিশ্বম্ভরপুর হয়ে তাহিরপুর সীমান্ত এলাকায় যাতায়াত সহজ হবে। পাশাপাশি মধ্যনগর, ধর্মপাশা ও নেত্রকোনা হয়ে ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থায় উন্নতি ঘটবে। পর্যটন ও বাণিজ্য খাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে